Monday, June 15, 2015

যে কাজটি করলে হাঁটতে হাঁটতে মোবাইলে কথা বললেও দুর্ঘটনায় পড়বেন না


অনেক মোবাইল ব্যবহারকারীই রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে মোবাইলে কথা ও মেসেজ বা খুদে বার্তা লিখে থাকেন। তবে তাদের এই খুদে বার্তা লেখার সময় অন্যকোন দিকে মনোযোগ দেয়া কষ্টকর হয়। তাই যেকোন ধরণের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। মোবাইল ব্যবহারকারীদের এই সমস্যার দিক বিবেচনা করে রাস্তায় তাদের জন্য আলাদা লেন তৈরী করেছে বেলজিয়াম।

বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্প শহর ‘টেক্সট ওয়াকিং লেন’ তৈরি করেছে। যারা হাঁটতে হাঁটতে কথা ও ‘টেক্সট’ বা খুদে বার্তা লেখায় অভ্যস্ত, তাদেরই জন্য এই লেন।
অভিনব ধারণাটি এসেছে শহরটিরই একটি স্মার্টফোন প্রতিষ্ঠান এমল্যাব কর্তৃপক্ষের মাথা থেকে। এর একজন মুখপাত্র বলেন, ‘হাঁটার সময় খুদে বার্তা পাঠাতে ব্যস্ত থাকলে আশপাশের অবস্থার ওপরে লোকের মোটেও মনোযোগ থাকে না।...এর ফলে তারা খুঁটি বা অন্য পথচারীর সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে করে প্রাণটাও ঝুঁকিতে পড়তে পারে। সেই অবস্থা এড়াতেই আমাদের এই উদ্যোগ।’
বিশেষ লেনটি আপাতত অস্থায়ী ভিত্তিতে করা হলেও এটি স্থায়ী করে দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
এমল্যাবের ভাষ্য, হাঁটার সময় খুদে বার্তা লিখতে গিয়ে ধাক্কা খাওয়ার ফলে পড়ে গিয়ে মুঠোফোন ভেঙে যাওয়ার ঘটনা অহরহই ঘটে থাকে। তাই এমন উদ্যোগ বেশ কাজে দেবে। তবে দুর্ঘটনা এড়াতে ব্যবহারকারীদের অবশ্যই নির্দিষ্ট লেন ব্যবহার করতে হবে। তা না হলে ফল উল্টো হতে পারে।
সূত্র: বিবিসি 

ইসলামের প্রতি মুগ্ধ হয়ে মুসলিম হলেন তামিল নায়িকা মনিকা


ইসলামের জীবন দর্শন দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও তারকা মনিকা। গত ৩০ মে  মুসলমান হবার পর তিনি নিজের জন্য নতুন নাম পছন্দ করেছেন এমজি রহিমা।

তেলেগু, মালায়লাম এবং কান্নাডা ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। এ পর্যন্ত তার অভিনীত সিনেমার সংখ্যা ৭০ ছাড়িয়েছে।

গত শুক্রবার এক প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি নিজের ইসলাম ধর্ম গ্রহনের কারণ ব্যাখ্যা করেন।

প্রেস ব্রিফিং এ মনিকা (নতুন নাম রহিমা) বলেন, আমি টাকা কিংবা প্রেমের টানে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করিনি। ইসলামের নিয়মকানুন ও রীতিনীতি পছন্দ করেই আমি এ ধর্ম গ্রহন করেছি।‘

ইসলাম ধর্ম গ্রহনের পর তিনি আর সিনেমায় অভিনয় করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এবং তা ২০১৪ সালের মতেই শেষ বলে জানান তিনি।

মনিকা চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন শিশুশিল্পী হিসেবে। ছোট বেলায় অভিনয়ে তিনি তামিল নাডুর জাতীয় পুরষ্কার অর্জন করেন।

চেন্নাইয়ের মাধুরা শহরের উদ্যোক্তা মালিকের সাথে তার বিয়ে হয় ২০১৫ সালের ১১ই জানুয়ারি। মনিকার পিতার ঘনিষ্ঠ বন্ধুর ছেলে মালিক।

জন্মের পর রেখা মারুথিরাজ নামে বেড়ে উঠেন মনিকা। পরে তামিল এবং তেলেগু সিনেমায় অভিনয় করতে এসে তার নাম হয় মনিকা। মালায়লাম সিনেমায় অভিনয় করতে এসে আবারও তার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় পারভানা।

তার অভিনীত সিনেমা গুলির মধ্যে ইনিদু ইনিদু কাদাল ইনিদু, ইসাই আরাসান ২৩ত্ম পুলিকেসি, ভারনাম এন্ড জান্নাল অরাম জনপ্রিয়। 

এবার থেকে এসএসসি ও এইচএসসি’র ফলাফলের ভিত্তিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক সম্মান (অনার্স) ভর্তিতে আর পরীক্ষা হবেনা। এবার থেকে শুধুমাত্র এসএসসি ও এইচএসসি’র ফলাফলের ভিত্তিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানো হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের ১৭তম বার্ষিক অধিবেশন এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এতোদিন সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হত। কিন্তু এখন থেকে সেশন জট নিরসনের কথা চিন্তা করে ভর্তি কার্যক্রম এগিয়ে আনারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ফলে প্রতি বছরের ১ ডিসেম্বর থেকে ক্লাস শুরু করা হবে।
১৩ জুন শনিবার সকাল ১০টায় গাজীপুর ক্যাম্পাসের সিনেট হলে এ অধিবেশন আয়োজন করা হয়। সিনেট চেয়ারম্যান ও ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে এতে মোট ৫০ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এই অধিবেশনে আরো যে সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু নিচে তুলে দেওয়া হলোঃ
  • এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি’র ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে , সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষে নয় বরং ভর্তি কার্যক্রম এগিয়ে এনে পহেলা ডিসেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হবে।
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে ২০১৭ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ আইটি ভিত্তিক এবং ২০১৮ সালের ম‍াঝামাঝিতে সম্পূর্ণ সেশনজটমুক্ত হিসেবে গড়ে তোলার হবে ।
  • সেশনজট নিরসনে গৃহীত পদক্ষেপের পর এখন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর মূল লক্ষ্য হবে শিক্ষার মানোন্নয়নে কর্মপ্রচেষ্টা নিয়োজিত করা।
  • ২০১৬ সালের শেষের দিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে।
  • র‍্যাঙ্কিং এর ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হবে।
  • অধিবেশনে বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন এবং ১শ’ ৮১ কোটি ৪৫ ল‍াখ ৯০ হাজার টাকার রাজস্ব ও ১শ’ ৬৭ কোটি ৯৬ ল‍াখ ৫০ হাজার টাকার উন্নয়ন বাজেট পাস হয়।
  • মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধী পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর দোসর ড. এম. এ বারীর নামে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ভবন রয়েছে তা প্রত্যাহার করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কোনো বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ বা বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করার প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।